• শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনামঃ
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরুদ্ধ: শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও যান চলাচল বন্ধ মদনে ইয়াবাসহ যুবক আটক, মূল হোতা পলাতক গরিব ও এতিম শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ করল ‘মানবতার শেষ আশ্রয়’ বারহাট্টায় দেড় লাখ টাকা মূল্যের চোরাচালানের টায়ার জব্দ, আটক ১ ময়মনসিংহে হামের উপসর্গ থামছেই না: মমেক হাসপাতালে আরও এক শিশুর প্রাণহানি ময়মনসিংহে যৌথ অভিযানে ছিনতাইকারী চক্রের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার নেত্রকোণায় বসতঘরে যুবককে গলা কেটে হত্যা প্রথম স্ত্রীর অনুমতি ছাড়া গোপনে দ্বিতীয় বিয়ে, প্রতারণার মামলায় কলমাকান্দার জুয়েল ওরফে নয়ন গ্রেপ্তার বাউফলে পূবালী ব্যাংকের উদ্যোগে বাংলা কিউআর কোডের উদ্বোধন কালীগঞ্জে সতি নদী থেকে কৃষকের মরদেহ উদ্ধার

লালমনিরহাটে ব্রীজ চালুর এক ঘণ্টাতেই ভয়াবহ ফাটল

মাসুদ রানা নিরব, লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি / ২৩৮ Time View
Update : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধায় প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি সড়ক সংস্কার ও ৪টি ব্রীজ নির্মাণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। প্রকল্পের একটি ব্রীজ যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার মাত্র এক ঘণ্টার মাথায় সেটিতে ভয়াবহ ফাটল দেখা দিয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।

‎স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা গেছে, হাতীবান্ধা উপজেলার দইখাওয়া কলেজ হতে ভেলাগুড়ি ইউনিয়নের বুড়িরবাজার পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার ৩০০ মিটার রাস্তা সংস্কার ও ৪টি ছোট ব্রীজ নির্মাণের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি। প্রায় ১৩ কোটি টাকা ব্যয়ের এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব পায় পাটগ্রামের ‘গোলাম মওলা’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, উপজেলা প্রকৌশলী আখতার হোসেনের প্রত্যক্ষ যোগসাজশে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে আসছিল। সড়ক সংস্কার ও ঢালাইয়ের কাজে বালুর পরিবর্তে সরাসরি মাটি এবং নিম্নমানের ইট ব্যবহার করা হয়েছে। বারবার বাধা দিলেও এলজিইডি কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। এমনকি দুর্নীতির প্রতিবাদ করলে ঠিকাদারের পক্ষ থেকে স্থানীয়দের ‘চাঁদাবাজি মামলা’র হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

‎সরেজমিনে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে ভেলাগুড়ি বোর্ডেরহাটের পাশের নবনির্মিত ব্রীজটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। কিন্তু চালুর মাত্র এক ঘণ্টার মধ্যেই ব্রীজের দুই অংশে বড় ফাটল দেখা দেয়। পরদিন রবিবার সকালে আরও নতুন ফাটল দৃশ্যমান হয়। এতে যে কোনো সময় ব্রীজটি ধসে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

‎ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থানীয় বাসিন্দা সফিকুল ও রবিউল ইসলাম বলেন, বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহানোর পর যে ব্রীজ পেলাম, তা উদ্বোধনের আগেই ফেটে চৌচির! এটা উন্নয়ন নয়, জনগণের টাকার প্রকাশ্য ডাকাতি।

‎


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd