ভোটের হাওয়া জিয়ারখীতে তরুণদের আস্থা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকারে আলোচনায় সাবেক ছাত্রনেতা রিপন
সুমন শেখ
বিশেষ প্রতিনিধি কুষ্টিয়া।
নির্বাচনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে কুষ্টিয়া সদর উপজেলার ঐতিহ্যে ঘেরা ৬নং জিয়ারখী ইউনিয়ন পরিষদে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে পাড়া-মহল্লার অলিগলিতে এখন শুধু একটাই আলোচনা—কে হচ্ছেন আগামী দিনের যোগ্য অভিভাবক। এবারের নির্বাচনে জিয়ারখী ইউনিয়নে এক নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ ও ভিন্নধর্মী আমেজ তৈরি করেছেন মোঃ সোহেল সামাদ রিপন।
তিনি শুধু তৃণমূলের প্রিয় মুখই নন, একাধারে সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা এবং ৬নং জিয়ারখী ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন ধরে মাঠপর্যায়ের রাজনীতির সাথে যুক্ত থাকায় এবং সাধারণ মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকায় ভোটারদের মাঝে তাকে নিয়ে তৈরি হয়েছে এক ব্যাপক আগ্রহ। এলাকাবাসীর মতে, মোঃ সোহেল সামাদ রিপন জিয়ারখী ইউনিয়নের তরুণ প্রজন্মের কাছে এক ভরসার নাম। ছাত্ররাজনীতি থেকে উঠে আসা এই নেতার রয়েছে বিশাল এক তরুণ কর্মী বাহিনী। সাধারণ ভোটাররা বলছেন, জিয়ারখী ইউনিয়নের উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে এবং এলাকার মাদক, সন্ত্রাস ও দুর্নীতিমুক্ত সমাজ গড়তে রিপনের মতো একজন শিক্ষিত, মার্জিত ও দূরদর্শী নেতৃত্বের কোনো বিকল্প নেই। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, মোঃ সোহেল সামাদ রিপনের রাজনৈতিক সততা ও অতীত ছাত্র আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা সাধারণ মানুষের মুখে মুখে। জিয়ারখী ইউনিয়নের বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরাও তাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখছেন। তাদের দাবি, দল-মত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে তিনি সর্বদা রাজপথে আপসহীন থেকেছেন, তাই এবার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সাধারণ মানুষ ব্যালটের মাধ্যমে তাকে তার যোগ্য সম্মান দিতে চায়।
নির্বাচনী ভাবনা ও জনগণের ভালোবাসা নিয়ে মোঃ সোহেল সামাদ রিপন বলেন, “আমি পদের লোভে রাজনীতি করি না, ছাত্রজীবন থেকেই মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াই করেছি। ৬নং জিয়ারখী ইউনিয়নের অবহেলিত মানুষের পাশে থাকা এবং এই ইউনিয়নকে একটি আধুনিক ও স্মার্ট ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই আমার মূল লক্ষ্য। দল ও জিয়ারখীবাসী যদি আমার ওপর আস্থা রাখেন, তবে আমি আমার জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও তাদের অধিকার রক্ষা করব।” নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে জিয়ারখীর প্রতিটি প্রান্তরে মোঃ সোহেল সামাদ রিপনের পক্ষে সাধারণ মানুষের এই স্বতঃস্ফূর্ত জোয়ার কতদূর রূপ নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে সচেতন মহল মনে করছেন, ভোটের মাঠে হেভিওয়েট প্রার্থী হিসেবে তিনি এক বড় চমক সৃষ্টি করতে যাচ্ছেন।