নিঃশব্দ হাহাকার: এক অস্ফুট আর্তনাদ
(শীতল অন্ধকার আর সামাজিক কুসংস্কারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী নারীদের পক্ষ থেকে উৎসর্গীকৃত)
✒️দ্বীপ চন্দ্র সরকার
অন্ধকার ঘরে স্তব্ধ আজ ভাষা,
ছিঁড়ে গেছে সব স্বপ্নের আশা।
পশুর আক্রমণে চূর্ণিত প্রাণ,
লজ্জার দহনে বিদীর্ণ ভান।
আকাশের নিচে অমানিশা ঘোরে,
অন্যায্য কাল গ্রাস করে ভোরে।
শরীরের ক্ষত নয় শুধু দাগ,
মনে জমে থাকে গ্লানি ও রাগ।
মুছে গেছে আলো ভয়ের অতলে,
অভিশাপ আজ চোখের জলে।
নিস্তেজ দেহ, পাথরের মতো মন,
অবিচার সয়ে কেঁপে ওঠে ক্ষণ।
সমাজ কি বুঝবে এ নীরব ব্যথা?
অশ্রুতে ভেজা সব সত্য কথা।
ন্যায়বিচারের আশায় পথ চেয়ে,
অন্ধকার রাতে মরে প্রতি ক্ষয়ে।
নিস্পাপ চোখে ভয়ের আভাস,
ভেঙেছে মিথ্যে আশার নিবাস।
চিৎকার গুমরে মরছে যে বুকে,
আকাশ দেখেছে সবই এক মুখে।
কেন এই লোলুপ দংশন রোজ?
মানুষের খোঁজে নেই কোনো খোঁজ।
বিচার চাই আজ—প্রবল জোয়ারে,
শাস্তি পাক সেই কালিমার হারে।
অন্ধকারে নয়, আলোর প্রদীপে,
বেঁচে থাকুক স্বত্য, ন্যায়ের সংক্ষেপে।
অশুভ শক্তির দম্ভ যেন চূর্ণ হয়,
মানুষের জয় হোক, ঘুচে যাক ভয়।
(“এই কবিতাটি সেই সকল সাহসী নারীদের উৎসর্গ করা হলো, যারা লোকলজ্জার ভয় কাটিয়ে সাহসের সাথে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন।”)